আরডিএ ইমারত নির্মাণ আইন, ১৯৫২ ও এর পরবর্তী সংশোধনী, বাংলাদেশ ন্যাশনাল বিল্ডিং কোড ও বিধি এবং এর আওতায় গঠিত আইনের প্রয়োগের মাধ্যমে উন্নয়ন কায়ক্রম নিয়ন্ত্রণ করে। আরডিএ’র অধিক্ষেত্রভুক্ত এলাকায় সকল ধরনের নির্মাণ/ উচ্ছেদ/ খনন কাজের পূর্বে আরটিডিএ অধ্যাদেশ ও ইমারত নির্মাণ আইন’র নির্দেশনা মোতাবেক অথরাইজড অফিসারের অনুমতি/ অনুমোদন গ্রহণ আবশ্যক। আবাসিক, বাণিজ্যিক, শিল্প এবং যাই হোক না কেন যেকোন ধরনের ইমারত নির্মাণের পূর্বে পরিকল্পনা বিভাগের অনুমতি গ্রহণ করা প্রয়োজন এবং তারা মহাপরিকল্পনা/ আরবান এরিয়া প্ল্যান/ বিভিন্ন এসপিজেড অনুযায়ী ডিটেইলড এরিয়া প্ল্যান এর নির্দেশনা মোতাবেক ভূমি ব্যবহার নিশ্চিত করবে। ইমারত নির্মাণ আইনের মধ্যে ‘‘ইমারত’’ সংজ্ঞায়িত আছে ‘‘কোন গৃহ, বহি গৃহ, কুটির, প্রাচীর এবং গাঁথনি ইট, ঢেউটিন, ধাতু, টালি, কাঠ, বাঁশ, কাদা, পাতা, ঘাস, খড় কিংবা অন্য যে কোন যাহা কিছু উপকরণই হতুক উহার তৈরী যে কোন কাঠামো অন্তর্ভুক্ত করে’’।